বিদ্যালয়টি কিশোরগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ১১ নং দানাপাটুলী ইউনিয়নের বাঁশহাটি ও মাথিয়া গ্রামে কিশোরগঞ্জ নিকলী পাকা সড়ক ঘেঁসে অসংখ্য বৃক্ষরাজি সুসুভিত একটি সুন্দর মনোরম পরিবেশে অবস্থিত । এর একটি আট কক্ষ বিশিষ্ট দুতলা ভবনের একটি অফিস কক্ষ ও সাতটি শ্রেণীকক্ষ, একটি দুইকক্ষ বিশিষ্ট আধাপাকা ভবনের একটি শ্রেণীকক্ষ ও একটি গ্রন্থাগার এবং একটি টিনের ঘর নামায খানা হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে । পূর্বমুখী বিদ্যালয়টির সামনে একটি বিশাল খেলার মাঠ রয়েছে । ফঠক বরাবর বিদ্যালয় গৃহের সামনে দুই সারি বৃক্ষরাজি বিদ্যালয়টির একটি দর্শনীয় নান্দনিক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।
দুইটি নলকূপসহ ছেলেদের জন্য দুইটি এবং মেয়েদের জন্য চারটি পাকা স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট রয়েছে । গ্রন্থাগারে ৫শত পাঠ্যপুস্তক সহ বিভিন্ন ধরনের প্রায় দেড় হাজার পুস্তক রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা চালু রয়েছে এবং আগামীতে বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয় চালু হবে।
১৯৬৮ সালে বিদ্যালয়টির সূচনা । বিদ্যালয়টি যে স্থানে অবস্থিত তা ছিল একটি পরিত্যাক্ত ভূমি। এলাকার যুবকেরা এখানে অবসর সময় কাটাতো । কথা প্রসঙ্গে এই অবহেলিত এলাকায় শিক্ষার আলো বিচরনের জন্য একটি বিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা করে । কিন্তু ১৯৬৯ সালে গন অভ্যুথান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের দরুন বিদ্যালয়টি বিলম্ব হলেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্দীপ্ত এলাকার যুব সমাজের সার্বিক সহযোগিতায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সভাপতি হাজী ইব্রাহিম বেপারী ত্রান ও পূনর্বাসন কমিটির চেয়ারম্যান , সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মোঃ ছিদ্দিক হোসাইনের বলিষ্ট নেতৃত্বে এবং আলহাজ্ব আমির উদ্দিন ও হাজী ইব্রাহিম বেপারীর দানে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের এই ঐতিহ্যবাহী অত্র ইউনিয়নের একমাত্র উচ্চ বিদ্যালয়। তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্টপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে না গিয়ে এস.আই. মেমোরিয়াল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টার থেকে অবতরন করে সরাসরি অত্র বিদ্যালয়ে চলে আসেন এবং তাঁরই হস্তক্ষেপে স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যালয়টি উচ্চ বিদ্যালয় রুপে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি লাভ করে। ডাঃ মোঃ ছিদ্দিক হোসাইন ছিলেন বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং পরর্বতিতে জনাব তাহের উদ্দিন আনোয়ারী, জনাব লুৎফুর রহমান তালুকদার, শ্রী অসীম কুমার রায় প্রমুখ ব্যক্তির্বগ বিদ্যালয়ের কর্ণাদার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বিদ্যালয়টির পরিচালনায় এলাকা বাসীর সহযোগিতা অতীতে যেমন ছিল, আজও তেমনি অব্যাহত রয়েছে।
৬ষ্ট শ্রেণী - ১৬২ জন।
৭ম শ্রেণী - ১৪৭ জন।
৮ম শ্রেণী - ১৪১ জন।
৯ম শ্রেণী - ৫৬ জন।
১০ম শ্রেণী - ৫৯ জন।
ক্রমিক নং | নাম | পদবী | ঠিকানা |
১ | ডাঃ মোঃ ছিদ্দিক হোসেন | সভাপতি | হাজীপুর, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
২ | অসীম কুমার রায় | দাতা সদস্য | গাগলাইল, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৩ | মোঃ আব্দুল হাসিম | কো.অপট | মাথিয়া, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৪ | মোঃ আবু তাহের | অবিভাবক সদস্য | মাথিয়া,মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৫ | উমর ফারুক মিলন | , , | মনোহরপুর, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৬ | জয়নাল আবেদীন | , , | মনার্কশা, কড়িয়াইল, কিশোরগঞ্জ সদর |
৭ | মুসলেহ উদ্দিন | , , | কালিয়ারকান্দা, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৮ | আঙ্গুরা খাতুন খাজা | সংরক্ষিত মহিলা | মাথিয়া, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
৯ | আবু আহাম্মেদ | শিক্ষক প্রতিনীধি | মনার্কশা, কড়িয়াইল, মাথিয়া, কিশোরগঞ্জ সদর |
১০ | ফজলুল হক | শিক্ষক প্রতিনীধি | পূর্ব নারান্দী,পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ |
১১ | শিউলী আক্তার | সংরক্ষিত মহিলা(শিক্ষক সঃ) | বনগ্রাম, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ |
১২ | হুমায়ুন কবির | প্রঃ শিঃ/ সম্পাদক | মধ্যপাড়া, কটিয়াদী, কিশোরগঞ্জ |
পরীক্ষার নাম | সন | পরীক্ষার্থীর সংখ্যা | উর্ত্তীন সংখ্যা | পাশের হার (%) |
জে.এস.সি | ২০১০ | ৮৯ | ৫১ | ৫৭% |
২০১১ | ১০০ | ৫৮ | ৫৮% | |
এস.এস.সি | ২০১১ | ৫৯ | ৪৬ | ৭৮% |
২০১০ | ৬০ | ৪২ | ৭০% | |
২০০৯ | ৩৮ | ১৭ | ৪৫% | |
২০০৮ | ৪৪ | ২৮ | ৬৪% | |
২০০৭ | ৪২ | ১০ | ২৮% |
১৯৯৪ সনে ২জন ষ্টার মার্কস সহ ১ম বিভাগ।
১৯৯৫ সনে ২জন ষ্টার মার্কস সহ ১ম বিভাগ।
২০১১ সনে ১ জন জিপিএ. - ৫.০০
ভবিষ্যত জে.এস.সি/এস.এস.সি পরীক্ষায় শত ভাগ পাস নিশ্চিত করা ও বিদ্যালয়টিকে “এ”গ্রেডের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস